লামীন ইয়ামালের সংগ্রামী জীবন
তিন বছরের ছেলে মনিরকে রেখেই মরক্কো থেকে স্পেনে পাড়ি জমান ফাতেমা। পরিবারকে স্পেনে আনতে অনেক সংগ্রাম করেছেন ফাতেমা নাসরাউই। গৃহপরিচারিকার কাজ করেছেন। ফ্লোরে ঘুমিয়েছেন। মুনির নাসরাউইয়ের সন্তান লেমিনে ইয়ামাল। লেমিনে ইয়ামালের ৩বছর বয়সেই বাবা-মায়ের ডিভোর্স হয়ে যাওয়ায়; দাদী ফাতেমা নাসরাউই ইয়ামালকে বড় করেন। তাই দাদীর প্রতি সম্মান জানাতে প্রতিটি গোল ও ম্যাচ জয়ের পরে দাদীর কথামতো মুনাজাত ধরেন ইয়ামাল এবং দাদীর বাড়ির পোস্টকোড ৩০৪ চিহ্ন দেখিয়ে উৎযাপন করেন ইয়ামাল। গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দাদীকে নিয়ে হাজির হন ইয়ামাল। সম্প্রতি সৎভাই কেইনও মাঠে হাজির হয় ইয়ামালকে উৎসাহ দিতে। লেমিনে ইয়ামালের সংগ্রামী দাদী ফাতেমার সংগ্রাম সফল। নাতি আজ বিশ্বজয়ী।


0 Comments